এফআইআর গায়ে না মেখে যা বললেন কঙ্গনা

আওয়াজবিডি ডেস্ক
২৫ নভেম্বর ২০২১, সকাল ৯:৫৯ সময়

এফআইআর নিয়ে ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেছেন কঙ্গনা। স্বল্পদৈর্ঘ্যের কালো পোশাক, হাতে মদের গ্লাস নিয়ে নিজের একটি ছবি পোস্ট করেছেন এই বলিউড অভিনেত্রী।

লিখেছেন, ‘আর একটা দিন... আর একটা এফআইআর... যদি তারা আমাকে গ্রেফতার করতে আসে... ঘরোয়া মেজাজেই আছি।’

অনেকেই মনে করেছেন, ওই পোস্ট যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। অভিনেত্রী সম্ভবত বোঝাতে চেয়েছেন, পুলিশের খাতায় অভিযোগকে তিনি গুরুত্বই দিচ্ছেন না। ওই ছবিটি পোস্ট করে তিনি ওই অভিযোগকে যেন উপহাসই করছেন।

কঙ্গনা গুরুত্ব না দিলেও তাকে নিশানা করে আক্রমণ জারি রয়েছে। শিখ সম্প্রদায়কে নিয়ে তার মন্তব্যের প্রেক্ষিতে মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী ও এনসিপি নেতা নবাব মালিক বলেন, ‘উনি (অভিনেত্রী) বড় বড় নেতাদের অপমান করা অভ্যাসে পরিণত করেছেন। কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নন... ।’

এদিকে, ১৯৪৭ সালে ‘ভিক্ষা’ সংক্রান্ত মন্তব্যের জেরে কঙ্গনার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন এক আইনজীবী। স্থানীয় আদালতে তার আবেদন, অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা হোক। এ ব্যাপারে নিউ আগরা থানার কাছে রিপোর্ট চেয়েছেন বিচারক। বৃহস্পতিবার ওই মামলার শুনানি। সূত্র : আনন্দবাজার

ইব্রাহিম/আওয়াজবিডি/ইউএস

কামরুন নাহারকে ছাড়া ভিকারুননিসা চলবে না, প্রশ্ন হাইকোর্টের

আওয়াজবিডি ডেস্ক
৩০ নভেম্বর ২০২১, দুপুর ১:১২ সময়

মঙ্গলবার (৩০ নভেম্বর) বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

শুনানির শুরুতে অ্যাডভোকেট আবদুল্লাহ আল হারুন ভূঁইয়া রাসেল বলেন, দীর্ঘদিন হয়ে গেছে আদালতের আদেশ স্বত্ত্বে ফোনালাপ ফাঁসের ঘটনায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটির রিপোর্ট এখনও দাখিল করা হয়নি। উনি অধ্যক্ষ পদে থাকা অবস্থায় তদন্ত হলে তা ঠিকমত হবে না। ওনার বিপক্ষে কেউ রিপোর্ট দেবে না। তাই রিপোর্ট দাখিলের আগ পর্যন্ত কামরুন নাহারকে ভিকারুননিসার অধ্যক্ষ পদে দায়িত্ব পালন থেকে বিরত রাখার আদেশ প্রার্থনা করছি। আর সরকারের প্রতি নির্দেশনা দিন দ্রুত যেন রিপোর্ট দাখিল করে।

এ সময় রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার এই রিটের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। বলেন, এই রিট গ্রহণযোগ্য নয়।

এ পর্যায়ে ভিকারুননিসার অধ্যক্ষের আইনজীবী মুশফিক উদ্দিন বখতিয়ার আদালতকে বলেন, মাইলর্ড রিট তো চলে না প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। এক্ষেত্রে একটা সিন্ডিকেটও আছে। কামরুন নাহার একজন বিসিএস ক্যাডার। তিনি একটি কলেজের অধ্যক্ষ পদে দায়িত্বে ছিলেন। তিনি এখানে থাকতে চান না। তাকে জোর করে ভিকারুননিসায় আনা হয়েছে।

তখন হাইকোর্ট বলেন, তিনি এমন কোনো লোক না যে তাকে ছাড়া ভিকারুননিসা চলবে না। এসব কথা কোর্টে এসে বলবেন না।

এরপর আদালত ২০২২ সালের ৩১ জানুয়ারি এই রিট মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেন।

গত ১৬ সেপ্টেম্বর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ কামরুন নাহার ও অভিভাবক ফোরামের নেতা মীর সাহাবুদ্দিন টিপুর ফোনালাপ ফাঁসের ঘটনায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটির রিপোর্ট আগামী ৩১ অক্টোবরের মধ্যে দাখিলের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।

তদন্ত রিপোর্ট দাখিলে রাষ্ট্রপক্ষের সময় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

গত ৯ আগস্ট শুনানিতে আদালত বলেছেন, ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ কামরুন নাহার ফোনালাপে যে ভাষা ব্যবহার করেছেন, সত্যি হয়ে থাকলে অবশ্যই নিন্দনীয়। এটা অপ্রত্যাশিত। তার মুখ থেকে এ ধরনের ভাষা আশা করা যায় না।

তার আগে ৮ জুলাই ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ ও অভিভাবক ফোরামের নেতার ফোনালাপ ফাঁসের ঘটনায় অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়। রিটে অধ্যক্ষ কামরুন নাহারকে দায়িত্ব পালন থেকে বিরত রাখতে অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের দুই ছাত্রীর অভিভাবক মোহাম্মদ মোরশেদ আলম রিট দায়ের করেন। রিটে শিক্ষা সচিব ও শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক ও গর্ভনিং বডির সভাপতিকে বিবাদী করা হয়েছে।

রিটকারীর আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবদুল্লাহ আল হারুন ভূঁইয়া রাসেল সে সময় বলেন, ভিকারুননিসার অধ্যক্ষ কামরুন নাহার অডিওতে যেসব কথা বলেছেন, তাতে তিনি ওই কলেজের অধ্যক্ষ পদে থাকার নৈতিক অবস্থান হারিয়েছেন। কারণ তিনি অধ্যক্ষ পদে বহাল থাকলে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ওপর এর প্রভাব পড়বে।

ইব্রাহিম/আওয়াজবিডি/ইউএস