সাত দিনে করোনায় দ্বিগুণ রোগী : স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

আওয়াজবিডি ডেস্ক
১২ জানুয়ারি ২০২২, রাত ১০:৫১ সময়
ফাইল ফটো

বুধবার (১২ জানুয়ারি) দুপুরে কোভিড-১৯ পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ভার্চুয়াল বুলেটিনে অধিদপ্তরের মুখপাত্র অধ্যাপক ডা. রোবেদ আমিন এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, সারা বিশ্বে কোভিড-১৯ পরিস্থিতি অত্যন্ত নাজুক অবস্থায় আছে।

গত ১১ই জানুয়ারি পর্যন্ত বিশ্ব পরিসংখ্যান অনুযায়ী এ পর্যন্ত বিশ্বে প্রায় ৩০ কোটি ৮৪ লাখ ৫৮ হাজার ৫০৯ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। সব মহাদেশে দেখা যাচ্ছে বর্তমান সময়ে সব চেয়ে বেশি শনাক্ত হচ্ছে। ওমিক্রনের পাশাপাশি ডেল্টা ভাইরাস দুটোই কিন্তু অবস্থান করছে। সংক্রমণ হঠাৎ করে মাত্রাতিরিক্ত হয়ে গেলে ধরে নিতে হবে নতুন যে ভ্যারিয়েন্ট তারই সংক্রমণ বেশি হচ্ছে।

তিনি বলেন, গত ১ সপ্তাহে বাংলাদেশে ১০ শতাংশের বেশি পরীক্ষা বেড়েছে। ৭ দিনে দেড় লাখ টেস্ট হয়েছে। শনাক্ত হয়েছে ১০ হাজার ৪৭৪ জন।

এর আগের সপ্তাহের তুলনায় ৭ দিনে ৬ হাজার রোগী বেশি শনাক্ত হয়েছে।

আগের সপ্তাহের তুলনায় পরের সপ্তাহে ১৬৯ দশমিক ১২ শতাংশ রোগী বৃদ্ধি পেয়েছে। মোট শনাক্ত হয়েছে ১৫ লাখ ৯৮ হাজার ৩৮৯ জন। গত ৭ দিনে ২০ জনের মৃত্যু দেখেছি করোনায়। যদিও আগের সপ্তাহের তুলনায় এ সপ্তাহে মৃত্যু ২০ শতাংশ কম।

গত ৫ থেকে ১১ জানুয়ারি পর্যন্ত আমরা শতাংশের হিসাবে প্রায় দ্বিগুণ রোগী পেয়েছি।

৫ জানুয়ারি ছিল ৪ দশমিক ২০ শতাংশ, ১১ জানুয়ারি এসে ৮ দশমিক ৯৭ শতাংশ সংক্রমণ হয়েছে। গত ৭ দিনে প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গেছে। ১ জানুয়ারি পর্যন্ত সংক্রমণ আমাদের নিয়ন্ত্রণে ছিল। তারপর থেকে এটা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এটা শুধু একই ধারায় বৃদ্ধি হচ্ছে তা না, প্রোগ্রেসিভলি বৃদ্ধি পাচ্ছে। যেটা আমাদের জন্য অ্যালার্মিং।

পুরো ডিসেম্বরে ৪ হাজার ৫৮৮ জন রোগী আমরা শনাক্ত করতে পেরেছি, সেখানে জানুয়ারির মাত্র ১১ দিনে ১২ হাজার ৮৫০টি রোগী ইতিমধ্যে শনাক্ত করা হয়েছে।

হাবিব/আওয়াজবিডি/ইউএস

‘অভিবাসী শিশুদের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে বাইডেন সীমান্ত নীতি’

অনলাইন ডেস্ক
১৭ মে ২০২২, রাত ১১:৩৮ সময়
ছবি: সংগৃহীত

নিউইয়র্ক পোস্টের খবরে বলা হয়েছে, অভিবাসী শিশুদের খাবার যোগান দিতে হিমশিম খাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। যদিও দেশের বেশিরভাগ পরিবারকেই তাদের শিশুদের খাবার সরবরাহ করতে এমন সংকটে পড়ছে। তারপরও অভিবাসী শিশুদের ক্ষেত্রে এটি অমানবিক হয়ে দেখা দিয়েছে।

মার্কিন-মেক্সিকো সীমান্তের কাছে একটি অভিবাসী ক্যাম্পের শিশুদের খাবার সরবরাহের ছবি প্রকাশিত হয়েছে। সেই ছবি দেখার পরই এমন মন্তব্য করেছেন আর্থার।

বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করছেন যে, প্রশাসন অভিবাসী শিশুসহ সীমান্তে তার হেফাজতে যাদের সংগ্রহ করেছে তাদের খাওয়ানো এবং যত্ন নিতে আইনত বাধ্য।

আর্থার বলেছিলেন যে, সীমান্তের ওপারে অভিবাসীদের প্রবাহ বন্ধ করতে ব্যর্থ হওয়ায় এই সংকট বাড়ছে। শিরোনাম ৪২ তুলে নিলে এই পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে।