দৌলতদিয়ায় কর্মস্থলে ফেরা মানুষের চাপ, নেই দুর্ভোগ

অনলাইন ডেস্ক
৫ মে ২০২২, দুপুর ২:১৪ সময়

বৃহস্পতিবার (৫ এপ্রিল) সকাল থেকে দেখা যায়, দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে মানুষ বিভিন্ন পরিবহনে ঘাটে আসছেন। অনেক যাত্রী দুর্ভোগ এড়াতে দূরপাল্লার বাসে না এসে লোকাল গাড়িতে এসে ঘাটে নামছে। এরপর লঞ্চ ও ফেরিতে পার হয়ে পাটুরিয়া যাচ্ছে। তবে ঘাট এলাকায় ব্যক্তিগত গাড়ি ও মোটরসাইকেল ছিল চোখে পড়ার মতো।

এ ছাড়া সকালের দিকে যানবাহনের চাপ না থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ফেরি পারের অপেক্ষায় থাকা যানবাহনের সারি বাড়তে থাকে। বেলা ১২টা পর্যন্ত দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটের জিরো পয়েন্ট থেকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের ১কিলোমিটার পর্যন্ত যানবাহনের সারি সৃষ্টি হয়েছে।

সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই সারি আরও বাড়ার সম্ভবনা রয়েছে। তবে ১৯টি ফেরি চলাচল করাই যাত্রীবাহী বাসকে ঘাট এলাকায় খুব একটা বেশি অপেক্ষা করতে হচ্ছে না।

পোশাক শ্রমিক সোহেল শেখ বলেন, ঈদ করতে বাড়িতে যেতে কোনো ভোগান্তি পোহাতে হয়নি। আবার ছুটি শেষে এখন কর্মস্থলে ফিরছি। কোনো ভোগান্তি ছাড়াই আমি দৌলতদিয়া ঘাটে এসে ফেরির নাগাল পেয়েছি। ঘাট কর্তৃপক্ষের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার কারণেই দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের মানুষ স্বস্তিতে এবার ঈদ যাত্রা করতে পারল।

আরেক যাত্রী মাসরুর রহমান বলেন, ছুটি শেষে এখন কর্মস্থলে ফিরছি। কোনো ভোগান্তি ছাড়াই ঘাটে এসেছি, তবে যানবাহনগুলোতে চালকরা অতিরিক্ত ভাড়া নিচ্ছেন। তাছাড়া আর কোনো সমস্যা নেই।

বিআইডব্লিউটিসির দৌলতদিয়া ঘাট শাখার ব্যবস্থাপক প্রফুল্ল চৌহান জানান, এবার স্বস্তিতেই মানুষ ঘরে ফিরতে পেরেছে। এখন কর্মস্থলে ফেরার পালা। আশাকরি ভোগান্তি ছাড়াই মানুষ কর্মস্থলে ফিরবে।

তিনি আরও বলেন, দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া রুটে আমাদের ২১টি ফেরি প্রস্তুত আছে। যানবাহনের চাপ কম থাকায় এখন ১৯টি ফেরি চলছে। তবে গাড়ির চাপ বাড়লে তখন বাকী ২টিও চালানো হবে।

আজাদ/আওয়াজবিডি/ইউএস

বাগদান হলেও যে কারণে বিয়ের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এলেন ফারিয়া

আওয়াজবিডি ডেস্ক
৮ ডিসেম্বর ২০২২, রাত ১০:০৩ সময়

এও জানিয়েছিলেন, যার সঙ্গে ঘর বাধতে চলেছেন, তার সঙ্গে বিগত সাত বছর ধরে সম্পর্ক। পরে বিভিন্ন সময় বিয়ে প্রসঙ্গে জানতে চাইলে নুসরাত ফারিয়া কৌশলে এড়িয়ে গিয়ে বলেছিলেন, সময় নিয়ে বিয়ে করবেন। তার হাতে একাধিক কাজ। ব্যস্ত আছেন কাজ নিয়ে। বিয়ের সময় পাচ্ছেন না।

বাগদানের প্রায় তিন বছরের মাথায় নুসরাত ফারিয়ার এই বিয়েটি ভেঙে যাওয়ার গুঞ্জন ছিল। সেই গুঞ্জন সত্যি হলো। নুসরাত ফারিয়া নিজেই জানালেন, যার সঙ্গে বাদগান হয়েছে তার সঙ্গে বিয়ে হচ্ছে না। তার সেই বিয়ে ভেঙে গেছে।

বৃহস্পতিবার একটি গণমাধ্যমে দেয়া সাক্ষাৎকারে নুসরাত ফারিয়া বলেন, জীবনে ওঠা-নামা তো থাকবেই। আমাদের নিজেদের ভেতরে কোনো সমস্যা নাই, কোনো দ্বিধাদ্বন্দ্ব নাই, কখনো হয়নি। কিন্তু বিয়েটা আর হচ্ছে না। আমি যা করি, বুঝেশুনেই করি। এ কারণেই আমার কাজে কোনো বিতর্ক নাই।

নুসরাত ফারিয়ার বাগদান হয়েছিল রনি রিয়াদ রশিদ নামে একজনের সঙ্গে। ফারিয়া বলেন, রনির সঙ্গে আমার সব সময়ই যোগাযোগ আছে। সারাজীবনই বন্ধুর মতো সম্পর্ক থাকবে। এখন যে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, এটি দুজনের বোঝাপড়ার সিদ্ধান্ত। হুজুগের বশে কোনো কিছু করা ঠিক না।

বিয়ে প্রসঙ্গে নুসরাত ফারিয়া আরও বলেন, হুজুগের বশে করলে দীর্ঘ সময়ের ভোগান্তিটা আমারই হবে। এ কারণে ঠাণ্ডা মাথায় যা করার, সেটাই করছি আমি। সেভাবেই চলার চেষ্টা করি, করছি। আমার কাছে মনে হয়েছে আমাদের মধ্যে বন্ধুত্বের সম্পর্ক থাকলে সম্পর্কটি দীর্ঘস্থায়ী হবে।

ইব্রাহিম/আওয়াজবিডি/ইউএস