পাইলট অসুস্থ, ফ্লোরিডায় নিরাপদে বিমান চালালেন অনভিজ্ঞ যাত্রী

অনলাইন ডেস্ক
১৩ মে ২০২২, রাত ১২:৩৪ সময়

তবে এই ধরনের অকল্পনীয় ঘটনাই এবার দেখা গেছে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায়। প্লেন উড়ানো বা অবতরণের কোনো প্রশিক্ষণ বা অভিজ্ঞতা কিছুই না থাকলেও মাঝ আকাশে পাইলট অসুস্থ হয়ে পড়ার পর অপটু হাতে বিমান অবতরণ করিয়েছেন সাধারণ এক যাত্রী।

মূলত এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের (এটিসি) পরামর্শ মেনেই প্লেন অবতরণ করিয়েছেন একাজে অনভিজ্ঞ এক যাত্রী। গত মঙ্গলবার এই ঘটনা ঘটে। বৃহস্পতিবার (১২ মে) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মাঝ আকাশে পাইলট অসুস্থ হয়ে যাওয়ার পর এক ইঞ্জিন বিশিষ্ট সেসনা ২০৮ প্রাইভেট একটি প্লেন চালিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার পাম বিচ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন সেই যাত্রী। সিএনএন বলছে, প্রাইভেট এই প্লেনের পাইলট যখন অসুস্থ হয়ে পড়েন সেইসময় বিমানটি দক্ষিণ ফ্লোরিডার কাছে ছিল।

এরপর সেই প্লেনের এক যাত্রী এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোলে (এটিসি) বিষয়টি জানান। তিনি এটিসিকে বলেন, ‘এখানে খুব গুরুতর পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছি। আমার পাইলট অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।’ সেখানে তিনি বিমান চালানোর বিষয়ে কিছু জানেন না বলেও জানান।

এদিকে বিমানের অবস্থান জেনে সেটিকে পাম বিচ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের নির্দেশ দেয় এটিসি। আর অনভিজ্ঞ সেই যাত্রীকে অবতরণের খুঁটিনাটি বলতে থাকেন এটিসি-র কর্মীরা।

এটিসি বলেছে, ‘বিমানের ডানা ধরে রাখার চেষ্টা করুন এবং দেখুন নামার চেষ্টা করতে পারেন কি না। নিয়ন্ত্রণ করতে করতে এগোতে থাকুন এবং ধীর গতিতে নামতে থাকুন।’

একপর্যায়ে ফ্লোরিডার সেই বিমানবন্দরে প্লেনটি অবতরণ করতে সক্ষম হন ওই যাত্রী। তবে এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি সেই পাইলটের কী হয়েছিল। ফেডারেল অ্যাভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফএএ) এই ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে।

বিবিসি বলছে, ফ্লোরিডার নিউজ নেটওয়ার্কগুলো রহস্যময় ওই যাত্রীর সন্ধান করছে। কারণ ওই ব্যক্তির পরিচয় এখনও জানা যায়নি। প্লেনের পাবলিক ফ্লাইট রেকর্ডিংয়ে কেবল অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির কণ্ঠস্বর শোনা যায়।

ইউরোপগামী ২০০ অভিবাসীবাহী নৌকা আটক, অধিকাংশই বাংলাদেশি

অনলাইন ডেস্ক
১৭ মে ২০২২, রাত ১১:০৯ সময়

নৌবাহিনীর মিডিয়া অফিস বলেছে, আটক করা নৌকাটি থেকে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের উদ্ধারে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম নিয়ে ‘জুওয়ারা’ নামের একটি জাহাজটি খুমসের উত্তরে ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে। নৌকাটি থেকে আটক অভিবাসীদের মধ্যে অধিকাংশই বাংলাদেশী। খুমস নৌ ঘাঁটিতে নামিয়ে তাদের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এ বিষয়ে লিবিয়ার নৌবাহিনীর চিফ অফ স্টাফ বলেছেন যে, সমুদ্রে অবৈধ কার্যকলাপের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের কাঠামোর মধ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এটি অঙ্গীকার করে যে অভিবাসন বিরোধী কর্তৃপক্ষ তাদের দেশে তাদের নিরাপদ নির্বাসনের জন্য আশ্রয় এবং প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করার জন্য মানবিক দায়িত্ব পালন করবে

এদিকে চলতি মাসের ৯ মে থেকে ৭২ ঘণ্টার সাতটি ভিন্ন ভিন্ন অভিযানে ৪০০ জনেরও বেশি অভিবাসীকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে অলাভজনক সংস্থা ডক্টরস উইদাউট বর্ডারস।

সংস্থাটির একটি বিবৃতি অনুযায়ী, উদ্ধার হওয়া অভিবাসীদের মধ্যে ১৯৫ জন অপ্রাপ্তবয়স্ক ছিল, যার মধ্যে দুইজন এক বছরের কম বয়সী ছিল। উদ্ধারকারী জাহাজ জিও ব্যারেন্টস থেকে উদ্ধারকারীরা বলেছেন যে জাহাজে থাকা অনেকেই যৌন ও শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। যাদের মধ্যে চারজন লিবিয়ায় সহিংসতার ফলে ভাঙা হাড় নিয়ে নৌকায় করে ইউরোপের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলেন।