কদর বেড়েছে ছাতার

আওয়াজবিডি ডেস্ক
১৩ মে ২০২২, দুপুর ১১:০২ সময়

১০০ থেকে ৪০০ টাকার মধ্যেেই মিলছে ভালো মানের ছাতা। সহজে বহনযোগ্য, মান ও দামের কারণে ছোট ছাতার চাহিদা বেশি।

বৃহস্পতিবার (১২ মে) সরেজমিনে গুলিস্তান হল মার্কেট, বায়তুস সমির মার্কেট ও আল আমিন মার্কেট ঘুরে জানা গেছে, রহমান, শংকর, শরীফ, অ্যাটলাস ও মুন ব্র্যান্ডের ছাতার চাহিদা বর্তমানে সবচেয়ে বেশি। এদের মধ্যে চাহিদার শীর্ষে শংকর ছাতা। এছাড়াও মদিনা, অলিম্পিক ও চেরিসহ নানান দেশি-বিদেশি ব্র্যান্ডের ছাতা পাওয়া যাচ্ছে। মে থেকে শুরু হয়ে আগস্ট পর্যন্ত ছাতার চাহিদা বেশি থাকে। চীন-থাইল্যান্ড থেকে কাপড় আনা হয়। পরে রাজধানীর চকবাজার ও ইমামগঞ্জে ছাতা তৈরি হয়। এছাড়াও চকবাজারে ছাতার ইমপোর্টার্স রয়েছে। সেখান থেকেই ছাতা সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ে।

গুলিস্তান আল আমিন মার্কেটে ছাতা কিনতে আসা পলাশ বলেন, ২৪শ টাকা দিয়ে বিমানবাহিনীর অফিসের জন্যে ছাতা কিনেছি। বড় সাইজের ছাতা কিনেছি। এক ভাঁজের ছাতা আমাদের অফিসে বেশি ব্যবহার করা হয়।

গুলিস্তান হল মার্কেটে জুয়েল এন্টারপ্রাইজের ছাতা বিক্রেতা রানা বলেন, বৃষ্টির সময়ে ছাতা বেশি বিক্রি হয়। বৃষ্টির দিন ছাড়া ছাতার চাহিদা তেমন একটা থাকে না। আমরা চীন থেকে ছাতা আমদানি করি। নারীরা এক রঙের ও ডিজাইন করা ছাতা বেশি কেনেন।

গুলিস্তান বাইতুস সমির মার্কেটে কুমিল্লা ছাতা হাউজে ছাতা বিক্রি করছেন তাশরিফ হোসেন। তিনি বলেন, আমরা সব ছাতাই পাইকারি বিক্রি করি। আমাদের ক্রেতা মোটামুটি সব সময় থাকে। তবে এখন অন্যান্য সময়ের চেয়ে বেশি বিক্রি হচ্ছে। চকবাজার থেকে ছাতাগুলো আনা হয়।

এছাড়াও সদরঘাটের বিভিন্ন মার্কেট ঘুরে জানা যায়, ছাতার বাজার এখন শংকর, মুন, শরীফ ও এটলাসের দখলে। বিদেশি ব্র্যান্ডের ছাতার চাহিদাও আছে। দেশি ব্র্যান্ডের অ্যাটলাস ও শরীফ ছাতা টেকসই হলেও এখন শংকর ছাতা বেশি বিক্রি হচ্ছে। কেনা যাচ্ছে ১০০ থেকে ৪০০ টাকার মধ্যেই। এক ভাঁজের ছাতার দাম ৩০০ টাকার মতো। আর দুই ভাঁজের ছাতাগুলো ২০০ থেকে ৪০০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। দেশি যে ছাতাগুলো ভাঁজ ছাড়াই বন্ধ হবে সেগুলোর দাম ১৫০ থেকে ৩৫০ টাকার মধ্যে। বয়স্ক ও শিশুভেদে ছাতার দাম কমবেশি আছে। শিশুদের ছাতাগুলো ১০০ থেকে ২০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে।

তাসলিমা লেদার স্টোর স্বত্বাধিকারী জুয়েল বলেন, অ্যাটলাসের চাহিদা আছে, তবে আগে বেশি ছিল। ছাতার রঙ আকর্ষণীয় হলে মাঝ বয়সীদের কাছে বিদেশি ছাতার চাহিদা বেশি। শংকর ছাতাই বেশি বিক্রি হচ্ছে। তবে অন্যান্য স্থানীয় কিছু পণ্য আছে যেগুলো মানে ভালো নয়।

ম্যাক কালেকশনের বিক্রেতা মো. রনি বলেন, বিভিন্ন ধরনের ছাতা পাওয়া যাচ্ছে। মেয়ে ও ছেলেদের ছাতা আলাদা হয়। এক রঙের ছাতার চাহিদা বেশি। দেশি ছাতার দাম কিছুটা বেশি। ক্রেতারা মানের চেয়ে ডিজাইনের দিকে বেশি আগ্রহ প্রকাশ করে থাকে।

ছাতা কিনতে আসা মো. আবদুল আউয়াল বলেন, ছাতা দেখছি, যেটা ডিজাইন ও দামে ভালো লাগবে সেটা নেব। এখন যেকোনো সময় বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকে। বৃষ্টি না হলেও গরমের মধ্যে ছাতা লাগে। অতিরিক্ত গরমে ছাতা ব্যবহার করা যায়।

ইব্রাহিম/আওয়াজবিডি/ইউএস

কাস্টমস ক্লিয়ারেন্সে থাকা গম রপ্তানি করবে ভারত

অনলাইন ডেস্ক
১৮ মে ২০২২, রাত ১২:২০ সময়

কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে মঙ্গলবার এ কথা বলা হয়েছে। এ খবর দিয়েছে অনলাইন এনডিটিভি। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে একটি বিবৃতি দেয়া হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, যেসব গম কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে পরীক্ষার জন্য এবং ১৩ই মের আগে বা ওইদিন তাদের কাছে নিবন্ধিত হয়েছে, সেইসব গমের শিপমেন্ট অনুমোদনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। মিশর সরকারের এক অনুরোধের প্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় সরকার মিশরে গমের চালান পাঠাতে অনুমোদন দিয়েছে। এই চালানের গম এরই মধ্যে কান্দলা বন্দরে লোড করা হচ্ছে।

আকস্মিক গত রপ্তানি বন্ধ করে দেয় ভারত সরকার। এর ফলে বিভিন্ন বন্দরের বাইরে গমভর্তি হাজার হাজার ট্রাক অবস্থান করছে। দেশের ভিতরে দাম বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে রাখতে গত ১৩ই মে সরকার গম রপ্তানি নিষিদ্ধ করে। এ বিষয়ে একটি নোটিফিকেশন জারি করেছে ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফরেন ট্রেড (ডিজিএফটি)

এতে বলা হয়েছে, দেশে সার্বিক খাদ্য নিরাপত্তা রক্ষা করতে, প্রতিবেশী দেশগুলোর প্রয়োজনে সাপোর্ট দিতে এবং অন্য ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য সরকার এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই নোটিফিকেশনে আরও বলা হয়েছে, বেসরকারি ব্যবসায়ীরা ‘লেটার অব ক্রেডিটের’ মাধ্যমে আগেভাগে যেসব প্রতিশ্রুতি নিশ্চিত করেছেন, তাদের ক্ষেত্রে এইসব বিধিনিষেধ প্রযোজ্য হবে না। অন্য দেশের অনুরোধের প্রেক্ষিতেও সরকার রপ্তানি অনুমোদন দেবে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, নিষেধাজ্ঞার নির্দেশ তিনটি প্রধান কারণে দেয়া হয়েছে। তা হলো, ভারতে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও মুদ্রাস্ফীতি মোকাবিলা করা, অন্য দেশগুলো যারা খাদ্য ঘাটতি মোকাবিলা করছে তাদেরকে সহায়তা করা এবং ভারতের একটি নির্ভরযোগ্য সরবরাহকারীর মর্যাদা রক্ষা করা।

অনি/আওয়াজবিডি/ইউএস