রাজশাহী রেলস্টেশনে ঢাবি শিক্ষার্থী রনির কর্মসূচি

আওয়াজবিডি ডেস্ক
২৯ জুলাই ২০২২, রাত ১১:২৫ সময়
টিকেট কালোবাজারিসহ রেলের অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জনগণকে সচেতন করতে রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে গণসংযোগ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মহিউদ্দিন রনি। —ছবি: সংগৃহীত

আজ শুক্রবার বিকেলে রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে তিনি এই সচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন করেন। এ সময় তাকে সহযোগিতা করেন পশ্চিমাঞ্চল রেল কর্তৃপক্ষ।

শুক্রবার বিকেল ৩ টার পর মহিউদ্দিন রনি তার সহযোগীদের নিয়ে রাজশাহী স্টেশনের প্লাটফর্মে যাত্রীদের মধ্যে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের দেওয়া লিফলেট বিতরণ করেন।

এ সময় তিনি ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের ফরম সম্পর্কে নাগরিকদের সচেতন করেন তিনি।

মহিউদ্দিন রনি জানান, রেলের অনিয়ম ও দুর্নীতি নিয়ে জনসচেতনতা কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে তিনি ঢাকায় রেল কর্তৃপক্ষের নানা প্রতিবন্ধকতার শিকার হলেও রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে পশ্চিমাঞ্চলের রেল কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা পেয়েছেন।

শুক্রবার তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমাঞ্চল রেলের জিএম অসীম কুমার তালুকদার।

এক সাক্ষাৎকারে পশ্চিমাঞ্চল রেলের জিএম জানান, মহিউদ্দিন রনির যে ৬ দফা দাবি তার সঙ্গে পশ্চিমাঞ্চল রেল একমত।

পশ্চিমাঞ্চল রেলের জিএম এর নামে একটি ফেসবুক পেজ খোলা আছে সেখানে যে কেউ তথ্যপ্রমাণসহ অভিযোগ করলে পশ্চিমাঞ্চল রেল তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়।

কর্মসূচি শেষে মহিউদ্দিন তার সহযোগীদের নিয়ে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া পদ্মা ট্রেনে করে রাজশাহী ত্যাগ করেন।

ইব্রাহিম/আওয়াজবিডি/ইউএস

‘রোহিঙ্গাদের জন্য ৫ বছরে ১.৯ বিলিয়ন ডলার দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র’

আওয়াজবিডি ডেস্ক
৮ ডিসেম্বর ২০২২, রাত ১০:০০ সময়

বাংলাদেশে রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন করতে পাঁচ দিনের সরকারি সফর শেষে আজ বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে এ কথা জানিয়েছেন তিনি। সফরে তিনি কক্সবাজার ও ভাসান চরে বিভিন্ন শরণার্থী শিবির ঘুরে দেখেছেন।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, 'রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সহায়তার জন্য বাংলাদেশের সঙ্গে অংশীদারিত্বকে যুক্তরাষ্ট্র গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে। আমেরিকার জনগণ ২০১৭ সাল থেকে বার্মা, বাংলাদেশ ও এ অঞ্চলের অন্যত্র রোহিঙ্গা ও তাদের আশ্রয়দানকারী জনগোষ্ঠীর জন্য মানবিক সহায়তা হিসেবে ১.৯ বিলিয়ন ডলার দিয়েছে।'

তিনি আরও বলেন, 'আমরা বার্মার (মিয়ানমার) উপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছি যাতে তাদের আচরণে পরিবর্তন আসে এবং তারা সহিংসতা বন্ধ করে এবং রোহিঙ্গাদেরকে তাদের স্বদেশে ফিরিয়ে নেয়। আমরা রোহিঙ্গাদের ওপর গণহত্যায় জড়িত অপরাধীদেরকে জবাবদিহির আওতায় আনা এবং ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার প্রচেষ্টাকেও সমর্থন করি।'

'শরণার্থী ও তাদের আশ্রয়দানকারী বাংলাদেশিদের চাহিদা পূরণে আমরা বাংলাদেশের পাশে আছি, কারণ সব মানুষেরই নিরাপত্তা ও মর্যাদার সঙ্গে বেঁচে থাকার অধিকার আছে,' বিবৃতিতে উল্লেখ করেন তিনি।

ইব্রাহিম/আওয়াজবিডি/ইউএস