ম্যাচ হেরে তামিম দোষ দেখলেন ফিল্ডিংয়ের

আওয়াজবিডি ডেস্ক
৬ আগস্ট ২০২২, দুপুর ১১:০৫ সময়

পরিসংখ্যান বলছে, শেষ টানা ১৯ ওয়ানডেতে একচেটিয়া দাপট টাইগারদের। ২০১৩ সাল থেকে মুখোমুখি দেখায় এই ফরম্যাটে জয়ী দলের নাম বাংলাদেশ। অথচ সেই জিম্বাবুয়েই কি-না ৩০৪ রান টপকে গেল অনায়াসে!

তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে ব্যাটসম্যানদের স্ট্রাইক রেটের প্রশ্নবিদ্ধ ব্যাটিংয়ের সঙ্গে কাঠগড়ায় বাংলাদেশ দলের ফিল্ডিং বিভাগ। একাধিক ক্যাচ যেমন হাত গলেছে, তেমনি সহজ স্টাম্পিংয়ের সুযোগও নষ্ট হয়েছে। সব মিলিয়ে ৫টি সহজ সুযোগ ছেড়েছেন সফরকারীরা। জীবন পেয়ে ইনোসেন্ট কাইয়া আর সিকান্দার রাজা জোড়া সেঞ্চুরিতে ম্যাচ জিতিয়েছেন। এই ম্যাচ হারের পর অধিনায়ক তামিম ইকবাল জানালেন, আজকের দিনটা দারুণ একটি উদাহরণ।

ম্যাচ শেষে সংবাদমাধ্যমকে তামিম বলেন, ‘প্রত্যেক দিন একটা কথা বলি- ফিল্ডিং, ফিল্ডিং। আমরা ইদানীং অনেক ক্যাচ ফেলছি। কোনো না কোনো দিন তো এর মাশুল গুনতে হবে। আজ হয়ত সেই দিনটাই ছিল। অনেকবার আমরা ২-৩টা ক্যাচ ছেড়েও ম্যাচ জিতে গেছি। এমন উইকেটে চারটি ক্যাচ ছেড়ে ম্যাচ জিততে পারবেন না।’

এমন ক্যাচ ফসকেছে আগেও, কিন্তু বাংলাদেশ জয় পেয়েছে দিনশেষে। তবে এমন যে সবসময় হয় না, সেটাই মনে করিয়ে দিলেন তামিম, ‘আমি সব সময়ই বলি, হারের পর অনেক কিছুর দিকেই আঙুল তোলা যায়। কিন্তু এই কথাগুলো আমি জিতে এসেও অধিনায়ক হিসেবে বলতাম। জেতার পরও আমি সব সময় বলি, এটা ভুলে গেলে হবে না যে আমরা কী কী জায়গায় ভুল করেছি। আজকের দিনটা দারুণ একটা উদাহরণ—এত দিন যে আমরা ক্যাচ ফেলে, বাজে ফিল্ডিং করেও জিতেছি, একদিন না একদিন এটা আপনাকে এসে ধরতই। আজকেই সেই দিনটা।’

স্কোর বোর্ডে ৩০৩ রানের পুঁজি। খালি চোখে বিশাল মনে হলেও হারারে স্টেডিয়ামের ব্যাটিং সহায়ক উইকেটের এক পাশে বাউন্ডারি দৈর্ঘ্য মোটে ৫৫ মিটার। সহজেই বাউন্ডারি আসে সেদিক থেকে। এজন্য তামিম মনে করেন, ১৫-২০ রানের মতো কম হয়েছিল তাদের।

তামিমের ব্যাখ্যা, ‘আমাদের আরও ১৫-২০ রান বেশি করা উচিত ছিল। আমরা ১ উইকেটে ২৫০ রানের মতো অবস্থায় ছিলাম। এ অবস্থায় থাকলে একটু দ্রুত রান তোলা দরকার ছিল, যেন আমরা ওই অতিরিক্ত ১৫-২০ রান করতে পারি।’

ইব্রাহিম/আওয়াজবিডি/ইউএস

প্রধানমন্ত্রী কি গড যে সমালোচনা করা যাবে না, প্রশ্ন ফখরুলের

আওয়াজবিডি ডেস্ক
৬ অক্টোবর ২০২২, বিকাল ৭:১৯ সময়

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কি গড, বিধাতা নাকি সৃষ্টিকর্তা যে সমালোচনা কেন করা যাবে না? এমন প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বৃহস্পতিবার বিকালে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এক শোক র‌্যালির সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই প্রশ্ন তোলেন।

ফখরুল অভিযোগ করেন, ‘জনগণের দাবিতে আন্দোলন করতে গিয়ে পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। ঘরে ঘরে গিয়ে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে।’ তিনি বলেন, ‘নির্যাতন, মামলার পরও বিএনপির আন্দোলন দমাতে পারেনি সরকার।’

দুর্নীতি, লুটপাটের খবর ধামাচাপা দিতে সরকার ২৯টি প্রতিষ্ঠানের তথ্য সংগ্রহে‌‌ নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে বলে মন্তব্য করেন বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা। বলেন, ‘এই সরকার জনগণের কাছে বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের আর সময় দেয়া যায় না। আর পেছানো নয়, বাধা বিপত্তি এড়িয়ে সামনে এগিয়ে যেতে হবে। সরকারকে পদত্যাগে বাধ্য করা হবে।

ফখরুল আরও বলেন, ‘রক্ত ঝরছে, প্রয়োজনে আরও রক্ত দিয়ে মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা হবে। আওয়ামী লীগ সরকারকে সরিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করা হবে।’

এ সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, ‘শোককে শক্তিতে রূপান্তরিত করা হবে। সরকারের পতন নিশ্চিত করা হবে।’

দেশব্যাপী আন্দোলন সংগ্রামে নিহত নেতাকর্মীদের স্মরণে এই শোক শোভাযাত্রা করে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি। নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু করে নাইটিঙ্গেল মোড় ঘুরে আরামবাগ হয়ে আবারও কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয় শোক শোভাযাত্রা।

শোক র‌্যালিতে অন্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা আমান উল্লাহ আমান, মো. আবদুস সালাম, আবুল খায়ের ভূঁইয়া, রুহুল কবির রিজভী, খায়রুল কবির খোকন, শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, মীর সরফত আলী সপু, মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, মীর নেওয়াজ আলী নেওয়াজ, শিরিন সুলতানা, নাজিম উদ্দিন আলম, আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ, রফিকুল আলম মজনু, মো. আমিনুল হক, মৎস্যজীবী দলের মো. আব্দুর রহিম, যুবদলের সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, আব্দুল মোনায়েম মুন্না, স্বেচ্ছাসেবক দলের এসএম জিলানী, রাজীব আহসান, নাজমুল হাসান, শ্রমিক দলের মো. আনোয়ার হোসাইন, মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জু, মহিলা দলের হেলেন জেরিন খান, ছাত্রদলের রাশেদ ইকবাল খানসহ সংগঠনটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

ইব্রাহিম/আওয়াজবিডি/ইউএস