ব্যাটিংয়ে কেবল উজ্জ্বল মিঠুন, বোলিংয়ে ধারহীন খালেদ-রাজা

স্পোর্টস ডেস্ক
৬ আগস্ট ২০২২, দুপুর ২:৩৬ সময়
ছবি: সংগৃহীত

সতীর্থদের ব্যাটিং ব্যর্থতার পর বোলিংয়ে ধারহীন থাকলেন দুই পেসার সৈয়দ খালেদ আহমেদ ও রেজাউর রহমান রাজা।

শনিবার সেন্ট লুসিয়ায় সিরিজের প্রথম চার দিনের ম্যাচের দ্বিতীয় দিন শেষে লিড নেওয়ার খুব কাছে রয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ 'এ' দল। ৬৩ ওভারে তাদের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ১৬৫ রান। এর আগে ৬০.৫ ওভারে সফরকারীদের প্রথম ইনিংস থামে ১৬৭ রানে। আগের দিনের ৬ উইকেটে ১৩২ রান নিয়ে খেলতে নেমে এদিন আর মাত্র ৩২ রান যোগ করতে পারে তারা।

৪২ রান নিয়ে ব্যাটিংয়ে নামা মিঠুন সাজঘরে ফেরেন প্রথমে। ক্যারিবিয়ান পেসার মারকিনো মিন্ডলের চতুর্থ শিকারে পরিণত হন তিনি। ৮৫ বলের ইনিংসে ঠিক ৫০ রান করতে তিনি মারেন ৮ চার। মিঠুনের বিদায়ে ভাঙে নাঈমের সঙ্গে তার ইনিংসের সর্বোচ্চ ৫৩ রানের জুটি। ৬০ বলে ২৭ রান আসে নাঈমের ব্যাট থেকে। তাকে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে ফেলে ৫ উইকেট পূর্ণ করেন মিন্ডলে।

এনামুল হক জেরেমিয়া লুইসের শিকার হওয়ার পর জাস্টিন গ্রিভস রাজাকে বিদায় করলে থামে বাংলাদেশের ইনিংস। মিন্ডলে ৫ উইকেট নেন ৫৯ রানে। ৩ উইকেট পেতে গ্রিভসের খরচা ২৯ রান।

যে উইকেটে স্বাগতিক পেসাররা তোপ দাগেন, সেই একই উইকেটে হতাশ করেন খালেদ ও রাজা। ১৩ ওভারে ৫০ রান দিয়ে উইকেটশূন্য আছেন খালেদ। ১ উইকেট পেলেও ১০ ওভারে রাজার খরচা ৪৯ রান। আঁটসাঁট বোলিং উপহার দেন অফ স্পিনার নাঈম। ২৭ ওভারে ১ উইকেট দখল করতে তিনি দেন মাত্র ৩২ রান।

ক্যারিবিয়ানদের শক্ত ভিত গড়ে দেন তেজনারায়ণ চন্দরপল ও জেরেমি সোলোজানো। উদ্বোধনী জুটিতে তারা আনেন ৭৮ রান। ৯৮ বলে ৩২ করা সোলোজানোকে বোল্ড করে জুটি ভাঙেন রাজা। ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাবেক তারকা শিবনারায়ণ চন্দরপলের ছেলে তেজনারায়ণ ফিফটির সুবাস জাগিয়েও পারেননি। রান আউটে মাঠ ছাড়ার আগে তিনি করেন ১২০ বলে ৪৮ রান।

দারুণ বোলিংয়ের পুরস্কার নাঈম পান কেসি কার্টিকে বিদায় করে। ৬৩ বলে ৩৭ রানে উইকেটরক্ষক জাকের আলি অনিকের গ্লাভসবন্দি হন তিনি। এরপর আর কোনো বিপদ ঘটতে দেননি অধিনায়ক জশুয়া ডা সিলভা ও টেভিন ইমলাক।

ইব্রাহিম/আওয়াজবিডি/ইউএস

প্রধানমন্ত্রী কি গড যে সমালোচনা করা যাবে না, প্রশ্ন ফখরুলের

আওয়াজবিডি ডেস্ক
৬ অক্টোবর ২০২২, বিকাল ৭:১৯ সময়

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কি গড, বিধাতা নাকি সৃষ্টিকর্তা যে সমালোচনা কেন করা যাবে না? এমন প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বৃহস্পতিবার বিকালে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এক শোক র‌্যালির সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই প্রশ্ন তোলেন।

ফখরুল অভিযোগ করেন, ‘জনগণের দাবিতে আন্দোলন করতে গিয়ে পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। ঘরে ঘরে গিয়ে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে।’ তিনি বলেন, ‘নির্যাতন, মামলার পরও বিএনপির আন্দোলন দমাতে পারেনি সরকার।’

দুর্নীতি, লুটপাটের খবর ধামাচাপা দিতে সরকার ২৯টি প্রতিষ্ঠানের তথ্য সংগ্রহে‌‌ নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে বলে মন্তব্য করেন বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা। বলেন, ‘এই সরকার জনগণের কাছে বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের আর সময় দেয়া যায় না। আর পেছানো নয়, বাধা বিপত্তি এড়িয়ে সামনে এগিয়ে যেতে হবে। সরকারকে পদত্যাগে বাধ্য করা হবে।

ফখরুল আরও বলেন, ‘রক্ত ঝরছে, প্রয়োজনে আরও রক্ত দিয়ে মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা হবে। আওয়ামী লীগ সরকারকে সরিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করা হবে।’

এ সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, ‘শোককে শক্তিতে রূপান্তরিত করা হবে। সরকারের পতন নিশ্চিত করা হবে।’

দেশব্যাপী আন্দোলন সংগ্রামে নিহত নেতাকর্মীদের স্মরণে এই শোক শোভাযাত্রা করে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি। নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু করে নাইটিঙ্গেল মোড় ঘুরে আরামবাগ হয়ে আবারও কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয় শোক শোভাযাত্রা।

শোক র‌্যালিতে অন্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা আমান উল্লাহ আমান, মো. আবদুস সালাম, আবুল খায়ের ভূঁইয়া, রুহুল কবির রিজভী, খায়রুল কবির খোকন, শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, মীর সরফত আলী সপু, মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, মীর নেওয়াজ আলী নেওয়াজ, শিরিন সুলতানা, নাজিম উদ্দিন আলম, আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ, রফিকুল আলম মজনু, মো. আমিনুল হক, মৎস্যজীবী দলের মো. আব্দুর রহিম, যুবদলের সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, আব্দুল মোনায়েম মুন্না, স্বেচ্ছাসেবক দলের এসএম জিলানী, রাজীব আহসান, নাজমুল হাসান, শ্রমিক দলের মো. আনোয়ার হোসাইন, মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জু, মহিলা দলের হেলেন জেরিন খান, ছাত্রদলের রাশেদ ইকবাল খানসহ সংগঠনটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

ইব্রাহিম/আওয়াজবিডি/ইউএস