এশিয়া কাপে নেই নুরুল হাসান সোহান

অনলাইন ডেস্ক
৯ আগস্ট ২০২২, রাত ১১:৩৬ সময়

অস্ত্রোপচার না করলে এশিয়া কাপের আগেই চোট সেরে উঠবেন বলে আশাবাদী ছিলেন তিনি। সব ভাগ্য ঝুলছিল সিঙ্গাপুরে তার চিকিৎসার ওপর।

সেই ভাগ্য সহায় হলো না। সেখানে অস্ত্রোপচারই করতে হয়েছে তার আঙুলের। 

যার ফলে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে হতে যাওয়া এবারের এশিয়া কাপে খেলা হচ্ছে না সোহানের। এ উইকেটরক্ষক ব্যাটারকে বাদ দিয়েই আগামী বৃহস্পতিবার এশিয়া কাপের জন্য দল ঘোষণা করতে পারে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড।

সিঙ্গাপুরে নুরুল হাসান সোহানের সঙ্গে রয়েছেন বিসিবির প্রধান চিকিৎসক ডাক্তার দেবাশীষ চৌধুরী। 

গণমাধ্যমকে তিনি জানান, ‘আঙ্গুলে অস্ত্রোপচার করার পর বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়কের চার সপ্তাহ লেগে যাবে সেরে উঠতে।’

অর্থাৎ এশিয়া কাপের আগে সেরে উঠছেন না সোহান। তার বদলে হয়তো কিপিংয়ের গ্লাভস অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিমের হাতে উঠতে পারে।

কারণ হ্যামস্ট্রিং ইনজুরির কারণে জিম্বাবুয়ে সফর থেকে ছিটকে পড়া লিটন দাসেরও এশিয়া কাপ খেলা নিয়ে শঙ্কা রয়েছে।

পেসার শরিফুল ইসলামের হাঁটু ও পেসার মোস্তাফিজুর রহমানের পায়ের গোড়ালিতে চোট রয়েছে। এতো সব চোটের ভিড়ে এশিয়া কাপের জন্য দল ঘোষণা করতে দেরি হচ্ছে বিসিবির।

বিষয়টি বিবেচনা করে বিসিবিবে বাড়তি সময় দিয়েছে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল (এসিসি)। আগামী ২৭ আগস্ট থেকে আরব আমিরাতে শুরু হবে এশিয়া কাপের এই আসর।

একজন কাউন্সিলরও যদি বলে আমাকে চায় না, আমি থাকব না: শেখ হাসিনা

আওয়াজবিডি ডেস্ক
৬ অক্টোবর ২০২২, বিকাল ৬:৩৬ সময়

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আওয়ামী লীগের আগামী সম্মেলনে একজন কাউন্সিলরও যদি তাকে দলের নেতৃত্বে দেখতে না চান, তাহলে তিনি বিদায় নিতে প্রস্তুত আছেন।

বৃহস্পতিবার বিকেলে গণভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে একজন সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তরে এ কথা বলেন টানা চার দশক ধরে আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব দিয়ে আসা শেখ হাসিনা।

গত দুটি সম্মেলনের আগে প্রধানমন্ত্রী নিজেই তার বয়সের কথা তুলে ধরে বলেছিলেন, নতুন নেতৃত্বের হাতে দায়িত্ব বুঝিয়ে দিতে পারলে তিনি খুশি হবেন। তবে প্রতিবার সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু কন্যাকেই নেতৃত্বে রেখেছেন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।

সে বিষয়টি মনে করিয়ে দিয়ে ওই সাংবাদিক প্রশ্ন করেছিলেন, এবার কোনো চমক সম্মেলনে থাকবে কি না, শেখ হাসিনা কোনো নতুন নেতৃত্বকে সামনে নিয়ে আসবেন কি না।

উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আওয়ামী লীগের একটি কাউন্সিলরও যদি বলে, আমাকে চায় না, আমি থাকব না।”

১৯৭৫ সালের ১৫ অগাস্ট সেনাবাহিনীর একদল সদস্য যখন সপরিবারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে হত্যা করে, তখন স্বামীর কর্মসূত্রে ইউরোপে ছিলেন শেখ হাসিনা। তার সঙ্গে থাকা ছোট বোন শেখ রেহানাও প্রাণে বেঁচে যান।

এরপর দীর্ঘদিন নির্বাসনে কাটাতে হয় শেখ হাসিনাকে। ১৯৮১ সালের ফেব্রুয়ারিতে তার অনুপস্থিতিতেই আওয়ামী লীগের সম্মেলনে তাকে দলীয় সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। এখন তিনি দলের নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন এবং একটানা ১৩ বছর ধরে বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

বৃহস্পতিবারের সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে কে থাকবে তা পুরোপুরি কাউন্সিলরদের সিদ্ধান্ত।

“আমার তো সময় হয়ে গেছে।… বিদায় নেওয়ার জন্য আমি প্রস্তুত।”

যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রে ১৮ দিনের সফরের অভিজ্ঞতা জানাতে এই সংবাদ সম্মেলন করেন প্রধানমন্ত্রী। রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমগুলোতে তা সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।

ইব্রাহিম/আওয়াজবিডি/ইউএস