মুখ খুললেন মরিয়মের মা, বললেন অপহরণ করা হয়েছিল

আওয়াজবিডি ডেস্ক
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, বিকাল ৫:২৯ সময়

রহিমা বেগমের দাবি, গত ২৭ আগস্ট রাতে পানি আনতে গিয়ে তিনি অপহৃত হন। চার ব্যক্তি তাকে জাপটে ধরে নাকে রুমাল চেপে ধরেন। এতে তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। এরপর তার কিছু মনে নেই।

আজ রোববার বিকেলে পিবিআই খুলনার পুলিশ সুপার সৈয়দ মুশফিকুর রহমান এ তথ্য জানান।

পুলিশ সুপার বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে রহিমা বেগম অপহৃত হয়েছেন বলেই দাবি করেছেন। তিনি বলেছেন, তাকে চারজন মিলে অপহরণ করে নিয়ে যান। কিন্তু তারা কারা বা কোথায় নিয়ে যান, সে ব্যাপারে তিনি কিছু বলতে পারেননি। একপর্যায়ে তারা সাদা (খালি) স্ট্যাম্পে কিছু স্বাক্ষর নেন। স্বাক্ষর নেওয়ার পর তাকে একটা নির্জন জায়গায় ছেড়ে দেন। কিন্তু জায়গাটা কোথায় সেটা তিনি বুঝতে পারেননি। এরপর তিনি মনি নামের একটি মেয়ের বাড়িতে ছিলেন। তবে সেই মেয়ের বাড়ি কোথায় তিনি বলতে পারছেন না। এরপর ওই মেয়ে তাকে এক হাজার টাকা সংগ্রহ করে দেন। পরে তিনি মকসুদপুরে চলে আসেন।

সৈয়দ মুশফিকুর রহমান বলেন, যখন যেখানে ছিলেন, তারা তাকে কাপড়চোপড় দিয়েছেন বলে জানান রহিমা। সেগুলো তিনি সংগ্রহে রেখেছিলেন। মুকসুদপুর থেকে তিনি বোয়ালমারীতে আসেন। এরপর ১৭ সেপ্টেম্বর তার বাড়ির ২৮ বছর আগের ভাড়াটিয়া আবদুস কুদ্দুস মোল্লার বাড়িতে যান। কুদ্দুস একসময় খুলনার দৌলতপুরের সোনালী জুট মিলে চাকরি করতেন। তিনি ভেবেছিলেন, সেখানে গেলে আশ্রয় পাওয়া যেতে পারে।

খুলনায় না গিয়ে ফরিদপুরে যাওয়ার কারণ জানতে চাইলে রহিমা বেগম পুলিশকে জানান, খুলনায় আসতে ভয় পেয়েছিলেন। ভেবেছিলেন, কুদ্দুসের বাড়ি যাওয়ার পর মেয়েদের খবর দেবেন। এরপর মেয়েদের সঙ্গে চলে যাবেন।

সৈয়দ মুশফিকুর রহমান জানান, সৈয়দপুরে অবস্থানকালে ঘটনাটি আলোচিত হলে ওই এলাকার একটি ছেলে বিষয়টি স্থানীয় এক জনপ্রতিনিধির নজরে আনেন। ওই জনপ্রতিনিধি বিষয়টি খুলনার দৌলতপুরের এক কাউন্সিলরকে জানান। তিনি ঘটনাটি দৌলতপুর থানা-পুলিশকে জানান। এরপর দৌলতপুর থানার পুলিশ গতকাল শনিবার ওই এলাকায় গিয়ে তাকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে।

পুলিশ সুপার জানান, রহিমা বেগমকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। আদালতে তিনি জবানবন্দি দেবেন। এরপর আদালতের সিদ্ধান্ত মতো কার্যক্রম চলবে।

সূত্র: প্রথম আলো

ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার মতো খেলা হবে, আপনারা প্রস্তুত থাকেন: ওবায়দুল কাদের

আওয়াজবিডি ডেস্ক
৮ ডিসেম্বর ২০২২, রাত ৮:২৮ সময়
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের —ছবি-সংগৃহীত

আজ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে তিনটার দিকে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে ভার্চ্যুয়ালি যোগ দিয়ে উদ্বোধনী বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘ডিসেম্বর মাস। খেলা হবে, খেলা হবে, খেলা হবে। কুমিল্লা খেলবে। সামনে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল। আর্জেন্টিনা খেলবে, ব্রাজিল খেলবে। সবাই প্রস্তুত থাকেন। রাজনীতির মাঠেও খেলা হবে। খেলা হবে দুর্নীতির বিরুদ্ধে, নাশকতার বিরুদ্ধে, লুটপাটের বিরুদ্ধে, ভোট ডাকাতির বিরুদ্ধে, ভুয়া ভোটারের বিরুদ্ধে, সাম্প্রদায়িকতা ও অগণতান্ত্রিক শক্তির বিরুদ্ধে। কুমিল্লাবাসী, আপনারা তৈরি থাকেন।’

কুমিল্লার লালমাই উপজেলার বাগমারা উচ্চবিদ্যালয় মাঠে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া। এতে বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ, স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় নেতা সুজিত রায় নন্দী, আবদুস সবুর, সংসদ সদস্য নাছিমুল আলম চৌধুরী, আবুল হাসেম খান, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য আঞ্জুম সুলতানা সীমা প্রমুখ।

ইব্রাহিম/আওয়াজবিডি/ইউএস